Latest From My Blog

Showing posts with label বুদ্ধদেব বসু. Show all posts
Showing posts with label বুদ্ধদেব বসু. Show all posts

মহাভারতের কথা

মহাভারতের কথা
লেখক: বুদ্ধদেব বসু
পরিচিত: সেই চিরন্তন মহাকাব্যটি সমকালীন চোখে। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গীতে পুরানো মহাকাব্যটিকে দেখতে গিয়ে আলো ছায়া সাদা কালো হ্রস্বদীর্ঘ অজানিতে পরিবর্তিত। মহাঘোরা আবর্তসংকুলা মহানদীর মত প্রবহমান জীবনধারা, দুই তটে ভাঙাগড়া। এই গ্রন্থে নায়ক যুধিষ্ঠির, ট্রাজিক নায়ক।না, হেরে গিয়ে ট্রাজিক নন, জিতে রাজসিংহাসন পেয়েও যিনি হাসিহীন অবস্থায় যন্ত্রমানবের মতন থেকে যান যুদ্ধপরবর্তী ছত্রিশ বছর। নদীতটের ভাঙনশব্দ তাঁর স্পন্দিত হৃদয়ের বেদনায় লেখা হয়ে চলে,একটু একটু করে অশ্রুত ভাষায়,অলক্ষ্য আন্দোলনে। শেষ হয় মহাপ্রস্থানের অমোঘতায়, অমরার উর্জস্বতীধারায়। কিংবা শেষ হয় কি?

ডাউনলোড: ইপাব, মুবি, পিডিএফ

তপস্বী ও তরঙ্গিণী

তপস্বী ও তরঙ্গিণী
লেখক: বুদ্ধদেব বসু 
পরিচিত: ‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’র কাহিনী ও পটভূমিতে রয়েছে ভারতীয় পুরাণ। বিশ্বখ্যাত মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ ও মহাভারত’-এর কাহিনী অবলম্বন করে বুদ্ধদেব রচনা করেছেন আধুনিক নাটক। এটি প্রথম সার্থক নাটকও বটে। এর আগে তিনি রামায়ণের কাহিনী নিয়ে ‘রাবণ’ নামের একটি নাটক লিখেছেন। রামায়ণ-ভারতের কাহিনী-চরিত্র নিয়ে অজস্র নাটক লেখা হয়েছে। রামায়ণের কাহিনী নিয়ে নতুন বিন্যাসে মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) রচনা করেছেন মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধকাব্য’ (১৮৬১)। রামায়ণে রাবণকে দেখানো হয়েছে সীতা-হরণকারী খলনায়ক হিসেবে, মেঘনাদবধকাব্যে রাবণকে দেখানো হয়েছে সীতা-পূজারী প্রেমিক হিসেবে। বুদ্ধদেব বসু রাবণকে এঁকেছেন হুদয়বান মানুষ হিসেবে। মধুসূদন এবং বুদ্ধদেব দুজনই রাবণকে এঁকেছেন রামায়ণের বিবরণ থেকে স্বতন্ত্রভাবে। পুরাণের নবরূপায়ণ ঘটিয়েছেন তাঁরা। যাত্রাসম্রাট ব্রজেন্দ্রকুমার দে ‘মহীয়সী কৈকেয়ী’ পালায় কৈকেয়ীকে এঁকেছেন মহীয়সী হিসেবে। রামের বিমাতা কৈকেয়ী রামকে বনবাসের পাঠানোর চক্রান্তকারী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু ব্রজেন্দ্রকুমার দে দেখালেন যে, প্রতিকূলতার সঙ্গে যুদ্ধ করে রাজ্যশাসনের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্যেই রামকে বনবাসে পাঠিয়েছেন বিমাতা কৈকেয়ী। সেই কারণে তিনি মহীয়সী। পুরাণের নবরূপায়ণ আমাদের নাটকে-যাত্রায় দুর্লক্ষ্য নয়।
ডাউনলোড: পিডিএফ, মুবি, ইপাব

তিথিডোর


তিথিডোর
লেখক: বুদ্ধদেব বসু
রিভিউ: বুদ্ধদেব বসু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা, যুগস্রষ্টা কবি, নাট্যকার, বিশ্বসাহিত্যের অনুবাদক, ঔপন্যাসিক ও প্রাজ্ঞ প্রবন্ধকার শুধু নন, তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের বাঙালির মননচর্যা ও নন্দনভাবনার উজ্জ্বলতম প্রতিভু। তিনি ছিলেন সেইসব বৈশ্বকোষিক লেখকদের একজন, রবীন্দ্রনাথের পরে এদেশে যাঁরা বিরলপ্রজাতির পাখির মতো দুর্লভ। রবীন্দ্রনাথের রচনাসম্ভারের বিপুলতার সাথে যদিও তুলনা চলে না, তবু নেহাৎ কম নয় বুদ্ধদেব বসু-র সৃষ্টি। অবিরল ধারায় লিখেছেন তিনি, স্বতঃউৎসারে, গদ্যে-পদ্যে, বাংলায়-ইংরেজিতে; ব্যাখ্যা করেছেন নন্দনতত্ত্ব; লিখেছেন মহাভারতের নবতর ব্যাখ্যা; কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা ক’রে তা লালন করেছেন; অসামান্য সব কাব্যনাট্যে বিধৃত করেছেন তাঁর জীবনভাবনা। তাঁর বোদলেয়ার-অনুবাদ অসম্ভব প্রভাবসম্পাতী হয়েছিল, এবং পঞ্চাশ-ষাটের দশকে এই বাংলাদেশের তরুণ কবিদেরও আঁখি হ’তে ঘুম কেড়ে নিয়েছিলো; তাঁর উপন্যাস তিথিডোর-এর পাঠকপ্রিয়তা ইদানীংকার সুনীল-সমরেশদেরও ঈর্ষার কারণ হতে পারে।

ডাউনলোড: পিডিএফ, মুবি, ইপাব


+