Showing posts with label হেমেন্দ্রকুমার রায়. Show all posts
Showing posts with label হেমেন্দ্রকুমার রায়. Show all posts
হিমাচলের স্বপ্ন
গল্পসংক্ষেপ: ভাল্লু সার্কাসের ভাল্লুক ছিল। তার মালিক তাকে দিয়ে খেলা দেখাত। ভাল্লু খুব ভাল নাচতে পারত। ঢোলে বাদ্য বেজে উঠলেই তার শরীর চনমন করে উঠত নাচার জন্য। কিন্তু একটিন ভাল্লুর মালিক মারা গেল আর তার জায়গা হলো চিড়িয়াখানাতে। সেখানেও কোন সমস্যা ছিল না। অন্তত খাওয়া দাওয়ার তো কোনই সমস্যা ছিল না। কিন্তু ভাল্লুর মনের মধ্যে সবসময় হিমালয়ের স্বপ্ন ঘুরপাক খেত। সয়নে স্বপনে সে শুধুই হিম পাহাড়ের স্বপ্ন দেখত। একদিন ভাল্লু সুযোগ পেয়ে চিড়িয়াখানা থেকে পালাল। তোমরা বুঝতেই পারছ একটা বড়সড় ভাল্লুক রাস্তায় বেরুলে মানুষদের অবস্থা কেমন হবে। চারদিকে শুধু পালাও বাঁচাও রব। এরই ভিড়ে ভাল্লু চলল তার স্বপ্নের গন্তব্যের দিকে। চলার পথেও ঘটে গেল অনেক ঘটনার ঘনঘটা। ভাল্লু কি পারবে তার ঘরে অর্থাৎ হিমালয়ের হিম দেশে ফিরে যেতে? নাকি তাকে আবার বন্দী হয়ে চিরিয়াখানায় ফিরে আসতে হবে?
মেঘদূতের মর্তে আগমন
গল্প সংক্ষেপ: কমল, বিনয়, বিমল ও কুমার। বিমল আর কুমারকে তো তোমরা চেনই। সেই যে ‘যকের ধন’ এ তোমরা পড়েছিলে! যারা খাসিয়া পাহাড়ে গিয়েছিল যকের ধনের খোঁজে! হুমমম... তারা এবার আর একটি অভিযানের সঙ্গী হয়েছে।
হঠাৎ-ই বিলাশপুর গ্রামে কেমন সব অলৌকিক কাণ্ডকারখানা ঘটে যাচ্ছে। গ্রামের মানুষগুলো দিনের পর দিন উধাও হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তাদের কোনও খোঁজ মিলছে না। এমনকি লাশ পর্যন্ত নয়। সেই দিনই বিলাশপুর গ্রামের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো বটগাছের নিচে পূজা শেষ করে গ্রাম বাসীরা নিজ নিজ ঘরে ফিরেছে কিন্তু সকালে উঠে দেখে একি! একটা প্রকাণ্ড বটগাছটা একেবারে হাপিস! শুধু সেখানে হয়ে আছে বিরাট গর্ত। গাছে যে বানর গুলো থাকত তারা পর্যন্ত নেই। সেই দিন সন্ধ্যে বেলা জাহাজ ঘাট থেকে আস্ত একটা জাহাজ উধাও হয়ে গেল। এমনি সব অলৌকিক কাণ্ডকারখানা ঘটছে বিলাশপুর গ্রামে।
বিমলবাবুর বয়স চল্লিশের কাছাকাছি কিন্তু তার মন সব বয়সের মানুষেদের সাথে মেশার জন্য উপযোগি। তাইতে তার কমলের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। বিমলবাবু স্বভাবে একজন অনুসন্ধানকারী। বিশেষ করে তার মহাকাশ ভাল লাগে। বিলাশপুরে যা কিছু ঘটছে তা তিনি একেবারেই ভূতুরে ব্যাপার বলে মেনে নিতে রাজি নন। তাই তিনি কমলকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে আর সেখানে গিয়ে দেখা হল বিমল আর কুমারের সাথে। তারা চারজনে অনেক সুলুক সন্ধানের পর তারা নিশ্চিত হলো যে, এই ধরনের কাণ্ডকারখানা ঘটাচ্ছে অন্য গ্রহ থেকে আনা বুদ্ধিমান প্রাণী। এমনই একদিন সন্ধ্যায় তাদের অনুসন্ধানের সময় একটি ঝড়ো হাওয়া তাদের উড়িয়ে নিয়ে গেল সোজা মহাকাশে। তারপর তাদের কি হলো...?
সৌজন্যে: শিশুকিশোর।
রুনু-টুনুর অ্যাডভেঞ্চার
গল্প সংক্ষেপ: বাগানে খেলা করছিল টুনু। সেই বাগান পেরুলেই মস্ত বন। খেলার এক ফাঁকে সে দেখতে পেল মস্ত বড় এক প্রজাপতি একটি ফুলের উপর রুনুর মতো করে খেলা করছে। টুনুর খুব লোভ হলো প্রজাপতিকে ধরার। যা ভাবা তাই কাজ... চুপি চুপি এগিয়ে গেল প্রজাপতিটির দিকে কিন্তু যেমনি ধরতে যাবে অমনি প্রজাপতিটি উড়ে গেল আর গিয়ে বসল অন্য একটি ফুলের উপর। টুনুও নাছড়বান্দা। সেও ছুটে বলল প্রজাপতির পিছু পিছু। প্রজাপতি উড়ে চলে, টুনুও পিছু পিছু দৌড়ে চলে। দৌড়তে দৌড়তে কখন যে টুনু বাগানের বেড়া ডিঙিয়ে বনের মাঝে চলে এসেছে তা সে বুঝতে পারে না। একটা সময় প্রজাপতিটি ধরা দিয়ে বনের মাঝে মিলিয়ে যায় আর তখনই টুনুর মনে হয় সে এসে পড়েছে একেবারে অপরিচিত জায়গায়। সে অনেক খুঁজেও বাড়ি ফেরার পথ না পেয়ে একটা গাছ তলায় বসে কাঁদতে শুরু করে। এদিকে টুনুর বাবা-মা তাদের আদরের ছোট্টমণিকে খুঁজে না পেয়ে প্রায় দিশেহারা।
টুনু যখন সব হারিয়ে কাঁদছে ঠিক তখনই তার এক হস্তীনীর সাথে তার দেখা হয়। হস্তীনীটিও তার আদরের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মনমরা হয়েছিল। প্রথম প্রথম টুনু হস্তীনীটিকে দেখে ভয় পেলেও সময়ের ব্যবধানে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। টুনু তাকে আদর করে নাম দেয় ‘রুনু’। টুনু-রুনুকে পেলে কি হবে, তার মন তো পড়ে আছে মায়ের কাছে। মায়ের কাছে যাবার জন্য তার মনটা ছটফট করছে। রুনু কি পারবে ছোট্ট টুনুকে তার বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দিতে? নাকি টুনু বেড়ে উঠবে বন্য পরিবেশে, বন্য প্রাণীদের মাঝে?
কৃতজ্ঞতা: শিশুকিশোর



















